‘বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এওয়্যারনেস অ্যাওয়ার্ড’– এর আবেদন শুরু ৩০ জুলাই
ডিজিটাল বাংলাদেশে ‘সাইবার ড্রিল’ আর ‘ফ্লাগহান্ট’ প্রতিযোগিতার পর স্মার্ট বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবালায় শুরু হলো দেশের প্রথম ‘বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি এওয়্যারনেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’ সম্মাননা প্রতিযোগিতা। আগামী ৩০ জুলাই থেকে ১ সেপ্টেম্বর ৫ ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতার জন্য তৈরি ওয়েব সাইটে নিজেদের উদ্ভাবনী সল্যুশন ও টেকসই সাইবার নিরাপত্তা উদ্যোগ জামা দিতে পারবেন আগ্রহীরা। ক্যাটাগরি অনুযায়ী শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা, পেশাজীবি এবং স্মার্ট অভিভাবকসহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষ সম্মাননা হিসেবে বিজয়ীদের দেয়া হবে ১০ হাজার মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এই সম্মাননা প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে ইউএনডিপি বাংলাদেশ। সহযোগী হিসেবে রয়েছে ডাটা সিকিউরিটি এজেন্সি।
রোববার আগারগাঁওয়ের আইসটি টাওয়ারের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল অডিটরিয়াম মিলনায়তনে এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
এছাড়াও প্রধান অতিথির বক্তব্যে ‘তথ্য আগামী দিনের অর্থ’ উল্লেখ করে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে গঠিত সার্ট থেকে ২৯টি স্পর্শকাতর তথ্য অবকাঠামোর (সিআইআই) সুরক্ষা ও তদারকিতে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানেই একটি করে নিজস্ব সার্ট টিম গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন পলক।
আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মের সঙ্গে সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া সাইবার নিরাপত্তা অক্ষুন্ন রাখা সম্ভব নয় মন্তব্য করে সাম্প্রতিক দুর্ঘটনা বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন প্রতিমন্ত্রী।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো: সামসুল আরেফিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে ডিজিটাল খিচুরি চ্যালেঞ্জের পর আইসিটি বিভাগের সঙ্গে এ ধরণের প্রতিযোগিতা করার কারণ ব্যাখ্যা করেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের ডেপুটি আবাসিক প্রতিনিধি ভ্যান এনগুয়েন।
সাইবার সুরক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সমন্বিত ভাবে সাইবার থ্রেট মোকাবেলার ওপর আলোকপাত করেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রেজাউল করিম, ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি’র মহাপরিচালক আবু সাঈদ মো: কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রনজিৎ কুমার, আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার বিজয়ী সাদাত রহমান।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ৫০ বছর আগে বাংলাদেশী শরণার্থীদের সহায়তার লক্ষ্যে যে কনসার্ট ফর বাংলাদেশ আয়োজন করা হয়েছিলো তারই কৃতজ্ঞতা স্বরূপ এখন বাংলাদেশ ৩য় বিশ্বের যুব ও শিশুদের জন্য "বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা পুরস্কার" চালু করা হলো।







